বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাহসী সিদ্ধান্ত: সম্মান বনাম বিশ্বকাপ
জাতীয় সম্মান ও আত্মমর্যাদাকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রাখা এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ
Bravo! Bangladesh এবং BCB এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা দাঁড়িয়েছে উঁচুতে, তারা নিয়েছে সেরা সিদ্ধান্ত—ক্রিকেটের জন্যে, আমাদের জন্যে এবং বাংলাদেশের নিজের জন্যে।
অন্যায্য চাপে নতি স্বীকার নয়
ভারতের অন্যায্য চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের একটি সাহসী পদক্ষেপ, একটি প্রশংসনীয় অগ্রযাত্রা। এটি দেখান যে বাংলাদেশ তার সম্মানের বিষয়ে কোনো আপস করবে না।
একটি বিশ্বকাপ না খেললে কী হয়?
কোনো একটি বিশ্বকাপ না খেললে দেশের ক্রিকেট ধ্বংস হবে না, খুব বেশি কিছু আসবে যাবে না। কিন্তু একটি বৈষম্যে ভরা বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে অন্য দেশের কাছে মাথা নত করলে আমাদের আর কোনো দিন কিছু বলার থাকবে না।
ঝুঁকির মধ্যে খেলোয়াড় ও দর্শক
নিজের দেশের খেলোয়াড় ও দর্শকদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে ভারতে খেলতে গেলে আমাদের মাথা তুলে দাঁড়ানোর আর কোনো পথ খোলা থাকবে না। এটি হবে আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন। নিরাপত্তা ও সম্মানের বিষয়ে কোনো আপস চলে না।
আর্থিক লোকবনাম জাতীয় সম্মান
জানি, ক্রিকেটাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তবে এই অর্থের মূল্য দেশের সম্মান ও মর্যাদার চেয়ে বেশি নয়। জাতীয় স্বার্থে ক্রিকেটাররা এই ত্যাগ মেনে নিলে আগামী দিনে আমরা ক্রিকেটারদের হয়ে কথা বলব। অর্থ আবার আসবে, কিন্তু সম্মান একবার গেলে আর ফিরে আসে না।
সব হারানোর বিশ্বকাপ
অন্যথায়, এটি হবে বাংলাদেশের সব হারানোর বিশ্বকাপ। কারণ যে জাতি তাদের সম্মান হারায়, ওই জাতির আর হারানোর কিছুই থাকে না! বিশ্বকাপ জয়ের চেয়ে সম্মান বাঁচানো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সবার আগে বাংলাদেশ
ভারত বা আইসিসি যে সিদ্ধান্তই নিক, আমরা যেন দেশের সম্মান ও আত্মমর্যাদাকে ধুলোয় মিশিয়ে ভারতে খেলতে না যাই। মনে রাখতে হবে, ক্রিকেটের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না দেশের মানুষের আত্মমর্যাদা। সবার আগে বাংলাদেশ!
সম্মান ও আত্মমর্যাদা রক্ষা করাই প্রধান লক্ষ্য। বিশ্বকাপ আসবে-যাবে, কিন্তু জাতির মর্যাদা চিরকাল থাকে। সম্মান নিয়ে বাঁচা, অপমান নিয়ে মরা।
0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন