বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই প্রফেসরদের সাথে নেটওয়ার্

সেয়ার: 0
Networking with Professors

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই প্রফেসরদের সাথে নেটওয়ার্কিং

ভবিষ্যতে হাইয়ার স্টাডিজ ও ফান্ডিংয়ের জন্য আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লেভেলে যা যা করণীয়

অনেকে recently ইউনিভার্সিটিতে ঢুকেছেন, অন্ততপক্ষে ৪ বছর শেষ করেই বিদেশে যাবেন মাস্টার্স করতে! নিজের সাবজেক্ট ভালোভাবে বোঝার জন্য, হাইয়ার স্টাডিতে বাইরে যাওয়ার জন্য, নতুন কিছু করার জন্য এবং এই ফিল্ডের latest development-এর সাথে আপডেট থাকার জন্য প্রফেসরদের সাথে কানেকশন অপরিহার্য।

১. ইউনিভার্সিটি সিলেকশন ও রিসার্চ

প্রথমেই আপনি যে দেশে যেতে চান, সেখানকার ১০/১৫টা ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করুন। Ivy League না পারেন, Top আর top-middle টাইপগুলোও দেখুন। এই ইউনিভার্সিটিগুলোর ডিপার্টমেন্ট, কোর্স, ফি, প্রফেসর এবং তাদের রিসার্চ ইন্টারেস্ট বিভিন্ন কলাম করে একটা Excel file-এ সবগুলো তথ্য রাখুন। এটি সবচেয়ে জরুরি ধাপ।

২. টার্গেটেড প্রফেসর ও পেপার নির্বাচন

Excel ফাইল থেকে আপনার পছন্দের concentration (যেমন: Development Economics) বেছে নিন। ওই ১০/১৫টা ইউনিভার্সিটির কোন কোন প্রফেসর এই সাবজেক্টে আছেন, তাদের ইমেইল ঠিকানা এবং তাদের ২/৩টা করে রিসার্চ পেপারের নাম লিখুন। পেপারগুলো হালকা স্ক্যান করে নিন।

৩. প্রথম ইমেইল: আইস ব্রেকিং

এখন তাদের প্রত্যেককে মেইল করুন। লিখুন আপনি কে, কি পড়ছেন, কোথায় পড়ছেন এবং কেন interested। তাদের পেপারগুলো আপনি দেখেছেন এবং বাংলাদেশের মতো Developing Country-তে তা কিভাবে কাজে লাগতে পারে তা উল্লেখ করুন। এটি শুধুমাত্র একটি introduction। খুব সাবধানে সময় নিয়ে লিখুন।

৪. উত্তরের আশা না করা

উত্তরের আশা করবেন না কখনই। এটা আপাতত one sided affair। উত্তর পান বা না পান, তিন মাস অপেক্ষা করুন। এই সময়ে নতুন প্রফেসরদের লিখতে পারেন বা আগে যাদের লিখেছেন তাদের পেপার ভালো করে পড়ুন।

৫. ফলো-আপ স্ট্র্যাটেজি

তিন মাস পর আবার মেইল করুন। এবার তাদের লেখা একটা পেপার নিয়ে লিখুন—আপনি কি শিখলেন, কিছু না বুঝলে explanation চান। আপনার নিজের ইউনিভার্সিটির প্রফেসরদের সাথে সেই পেপার share করুন। প্রতি তিন মাস পর পর এই প্রক্রিয়া রিপিট করুন।

৬. গভীর সম্পর্ক ও লোকাল কনটেক্সট

পরবর্তী মেইলগুলোতে নিজের সম্পর্কে লিখুন। তাদের কাজ থেকে কি শিখলেন এবং তা ভবিষ্যতে কিভাবে কাজে লাগাবেন। বাংলাদেশ বা Southeast Asia-এর ডেভেলপমেন্ট ফিল্ডের আপডেট দিন। আপনার পড়ার বইয়ে যদি তাদের reference থাকে তা উল্লেখ করুন।

৭. দ্য এক্সট্রা মাইল: কনফারেন্স ও ইনভাইট

আরও ওভার দ্য টপ হতে চাইলে আপনার Dean-এর মাধ্যমে আপনার ইউনিভার্সিটিতে lecture দেওয়ার জন্য তাদের অফিসিয়ালি invite করতে পারেন। তারা আসুক বা না আসুক, অফিসিয়ালি invite করাটা আপনার ইমেজ বাড়াবে।

Undergraduate শেষ হতে হতে এক এক জনকে ৫/৭ বার লেখা হয়ে যাবে। এতে আপনার interest আর perseverance তাদের নজরে পড়বে। ফলাফল? Letter of recommendation, Funding, Acceptance to top-notch University, Network এবং Outstanding Knowledge।

No work goes unpaid, no effort goes unrewarded. Stand out from the crowd!

লেখক Md. Rafsan

মো. রাফছান একজন লেখক, কলামিস্ট, সংগঠক ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স-এর শিক্ষার্থী এবং তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চবি-র প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে তরুণদের সঙ্গে কাজ করছেন। সঠিক তথ্য, সচেতনতা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সমতা ও মানবিকতা-ভিত্তিক সমাজ গড়াই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।

0 Comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন