প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর চবি ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস পরিদর্শন
Opportunities beyond the comfort zone: Bangladesh from a global perspective
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত (উপদেষ্টা পদমর্যাদার) জনাব লুৎফে সিদ্দিকী আজ রবিবার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস পরিদর্শন করেছেন। মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি বাংলাদেশের বৈশ্বিক সম্ভাবনার উপর বক্তৃতা প্রদান করেন।
সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভাবনা
বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত জনাব লুৎফে সিদ্দিকী বাংলাদেশের সমুদ্র অর্থনীতির নানা বিষয় বিস্তারিত তুলে ধরেন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক যে ব্যর্থতা রয়েছে সেখানে কিভাবে উত্তরণ ঘটিয়ে উন্নতি করা যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। তিনি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
বিনিয়োগ ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি
তিনি বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নতি করতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এজন্য উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। আমাদের সুনীল অর্থনীতি, বন্দরসহ নানা সম্ভবনাময় খাত রয়েছে, যেগুলোর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নতি ঘটানো সম্ভব। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের মাইন্ড সেট হওয়া উচিত বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা।
বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব
লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় অন্যতম সম্পদ হলো বঙ্গোপসাগর। এটাকে অনেকগুলো দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়। এগুলোর সঠিক ব্যবহারের জন্য দরকার যথাযথ পরিকল্পনা। এজন্য প্রশাসনের সংস্কার জরুরি এবং এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা লাগবে।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
এসময় আমলাতান্ত্রিক নানা জটিলতার কথা তুলে ধরেন লুৎফে সিদ্দিকী। মন্ত্রণালয়ে চিঠি আদান-প্রদানে দীর্ঘসূত্রিতা রয়ে গেছে বলেও জানান তিনি। তিনি জোর দেন প্রশাসনিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার উপর।
সভায় উপস্থিতি
মতবিনিময় সভায় সঞ্চালনা করেন প্রফেসর সাইদুর রহমান চৌধুরী। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. এসএম শরীফুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, মেরিন সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. শাহাদাত হোসেন এবং ইনস্টিটিউটের শিক্ষকবৃন্দ। সভায় জনাব লুৎফে সিদ্দিকীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রশাসনের সংস্কার অত্যন্ত জরুরি, যেখানে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।
0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন