হ্যাপিনেস আসলে কি?


হ্যাপিনেস আসলে কোনো অ্যাস্থেটিক বিষয় না। এটা বাইরের বাতাস, চাঁদ, সূর্যে ছড়ানো-ছিটানো থাকে না, এটা কুড়িয়ে পাওয়ার বস্তু নয়। হ্যাপিনেস আসলে আমরা নিজেরাই তৈরি করি। নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড, প্রসিডিউর তৈরি করে আমরা সেট করি হ্যাপিনেস রুল্স। আমরা আমাদের মস্তিষ্ককে বিশেষভাবে ট্রেইন করি, যে এটা হলে খুশি হবে, ওটা হলে দুঃখ। আমরা ছোটবেলা থেকেই শিখি এগুলো। মা-বাবা শেখায়, আত্মীয়, বন্ধু, পরিবেশ থেকে শিখি।

তুমি যদি মনস্থির করো, আজ তুমি সবুজ ঘাস দেখলে খুশি হবে, আজ তুমি খুশি হবে চাঁদের আলোয়, তাহলে দুনিয়ার যাবতীয় বিষয় তোমাকে দুঃখ দেবে, কারণ এভাবেই তুমি তোমার মস্তিষ্ককে ট্রেইন করছো। এমনি এমনিই আসলে সবকিছু তোমার ভালো লাগে না, সবকিছুই তোমারে এমনি এমনিই দুঃখ দেয় না, এটা সম্পূর্ণটাই নির্ভর করে, কিভাবে তোমার নিজেকে তুমি এটাতে অভ্যস্থ করছো, কোন বিষয়কে কিভাবে দেখছো, কিভাবে পর্যালোনা করছো।

This is all about you. You are the master of your own thoughts, you are what you think you are. তুমি কিসে হ্যাপি হবে, কিসে হবে না, এটা একান্তই তোমার ধারণার উপর নির্ভর করে। একটু ভালো লাগছে না বলে যে সবকিছু আজ তুমি এড়িয়ে যাচ্ছো, হয়তো হালকা ইফোর্ট দিলে ওটাও তোমার হ্যাপিনেসের কারণ হতে পারে। আবার মাঝেমাঝে দেখবে, কেবল চিন্তার পার্থক্যের জন্য অনেক অনর্থক বিষয়ও তোমাকে বারংবার জটিলতায় ফেলে, কষ্ট দেয়।

যদি তুমি তোমার নিজেকে শক্তপোক্তভাবে ট্রেইন করতে পারো, দেখবে খারাপ সময় বা ভালো সময় তোমাকে খুব বেশি টলাতে পারবে না, খুব বেশি এদিক-ওদিক করতে পারবে না। তখন তোমার নিজেকে ধরে রাখা সহজ হবে, নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। আর যারা নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তাদের পক্ষে পৃথিবীর সবকিছুই করা সম্ভব, সবকিছুই তাদের চোঁখে দৃশ্যমান ভবিষ্যৎ।

লেখক Md. Rafsan

মো. রাফছান একজন লেখক, কলামিস্ট, সংগঠক ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স-এর শিক্ষার্থী এবং তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চবি-র প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে তরুণদের সঙ্গে কাজ করছেন। সঠিক তথ্য, সচেতনতা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সমতা ও মানবিকতা-ভিত্তিক সমাজ গড়াই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।

0 Comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন